সোমবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২১ ইং
কমাশিসা পরিবারবিজ্ঞাপন কর্নারযোগাযোগ । সময়ঃ রাত ১২:৪৪
Home / অনুসন্ধান / ইতিহাসের আদালতে শায়খ আলবানী রাহিমাহুল্লাহ
নাসিরুদ্দীন আলবানী

ইতিহাসের আদালতে শায়খ আলবানী রাহিমাহুল্লাহ

নাসিরুদ্দীন আলবানী
নাসিরুদ্দীন আলবানী

মাওলানা বদরুল হাসান ফাহিম ::

আজকাল অনেকে “শায়খ আলবানী শায়খ আলবানী” বলে নাক-মুখের পানি একাকার করে ফেলছেন। আলবানী রাহিমাহাল্লাহ যা বলছেন, তাই ফুল এন্ড ফাইনাল হিসেবে ধরে নিচ্ছেন। তিনি যে হাদিসকে সহীহ বলেছেন, সেটাই যেন চূড়ান্ত; এরকম ভাব নিচ্ছেন অনেক ভ্রাতা-ভগিনীগণ। কিন্তু আলবানী (রহঃ) হাদিস সম্পর্কে, বিভিন্ন মনীষীর ব্যাপারে এমন কিছু মন্তব্য করেছেন, যা মুসলিম উম্মাহকে অবাক করে দিয়েছে। নিম্নে তাঁর কিছু মন্তব্য তুলে ধরা হলঃ

ইমাম বোখারী (রহঃ) কে অমুসলিম আখ্যায়িত করাঃ
শায়খ নাসীরুদ্দিন আলবানী (রহঃ) ইমাম বোখারী (রহঃ) কে অমুসলিম আখ্যায়িত করেছেন। ইমাম বোখারী (রহঃ) বোখারী শরীফের “কিতাবুত তাফসীর” এ সূরা কাসাস এর ৮৮ নং আয়াতের যে ব্যাখ্যা করেছেন, সে সম্পর্কে নাসীরুদ্দিন আলবানী (রহঃ) লিখেছেন, “এ ধরণের ব্যাখ্যা কোন মুমিন-মুসলমান দিতে পারে না। তিনি বলেন, এ ধরণের ব্যাখ্যা মূলতঃ কুফরী মতবাদ “তা’তীলের” অন্তর্ভূক্ত”।

শাইখুল ইসলাম আল্লামা ইবনে তাইমিয়া (রহঃ) সম্পর্কে আলোচনাঃ
শায়েখ নাসীরুদ্দিন আলবানী (রহঃ) লিখেছেন, “আমি শায়খ ইবনে তাইমিয়াকে দেখেছি, তিনি হাদীসের প্রথম অংশকে দুর্বল বলেছেন এবং হাদীসের শেষ অংশকে তিনি মিথ্যা মনে করেছেন। আমার ধারণামতে “হাদীসকে যয়ীফ বলার ক্ষেত্রে এটি ইবনে তাইমিয়া (রহঃ) এর বাড়াবাড়ি, যা তাঁকে হাদীসটি যয়ীফ বলতে উদ্বুদ্ধ করেছে; অথচ তিনি হাদীস বর্ণনার বিভিন্ন পরম্পরা খতিয়ে দেখেননি। এবং এ ব্যাপারে গভীর দৃষ্টিপাত করেননি।” [সিলসিলাতুস সহীহা, খণ্ড-৪, পৃষ্ঠা-৩৪৩-৩৪৪, হাদীস নং ১৭৫০]

আল্লামা ইবনে তাইমিয়া (রহঃ) “কালিমুত তাইয়্যিব” নামক বিখ্যাত একটি কিতাব রচনা করেছেন। শায়খ নাসীরুদ্দিন আলবানী (রহঃ) সে কিতাব সম্পর্কে লিখেছেন, “যারা আল্লামা ইবনে তাইমিয়া (রহঃ) এর এ কিতাবটি সম্পর্কে অবগত রয়েছে, তাদেরকে নসীহত করব, এ কিতাবে যে সমস্ত হাদীস রয়েছে সেগুলোর প্রতি তারা যেন আমল করতে অগ্রসর না হয়, যতক্ষণ না হাদীসগুলো শক্তিশালীভাবে প্রমাণিত হয়। আমি এর উপর যে টিকা সংযোজন করেছি, এর মাধ্যমে প্রত্যেকের জন্য বিষয়টি সহজ করে দিয়েছি। সুতরাং যে সমস্ত হাদীস প্রমাণিত হবে সেগুলোর উপর আমল করা হবে, নতুবা সেটি পরিত্যাগ করা হবে”। [সহীহুল কালিমিত তাইয়্যিব, পৃষ্ঠা-৪]

শায়েখ নাসীরুদ্দিন আলবানীর এ কথা উল্লেখ করে আল্লামা হাবীবুর রহমান আজমী (রহঃ) লিখেছেন,
“নাসীরুদ্দিন আলবানীর একথা বলার দ্বারা মূল উদ্দেশ্য হল, মানুষ যেন আবশ্যকভাবে তাঁকে ইমাম বানায় এবং তাঁর অন্ধ অনুকরণ করে। এবং যতক্ষণ পর্যন্ত আলবানীকে জিজ্ঞেস না করবে এবং তার বিশ্লেষণকে গ্রহণ না করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লামা ইবনে তাইমিয়াসহ অন্য কোন বিশ্বস্ত ও গভীর পাণ্ডিত্যের অধিকারী মুহাদ্দিসের হাদীসের উপরও নির্ভর করবে না।”

হানাফী মাযহাবকে খ্রিস্টধর্মের সাথে তুলনা করাঃ
শায়খ নাসীরুদ্দিন আলবানী (রহঃ) হানাফী মাযহাবকে খ্রিস্টধর্মের সাথে তুলনা করে লিখেছেন, “এ থেকে স্পষ্ট যে, হযরত ঈসা (আঃ) আমাদের শরীয়ত অনুযায়ী ফয়সালা দিবেন এবং কিতাব সুন্নাহের মাধ্যমে বিচার করবেন। তিনি ইঞ্জিল, হানাফী ফিকহ কিংবা এজাতীয় অন্য কিছু দ্বারা বিচার করবেন না”। [আল্লামা মুনযীরি (রহঃ) কৃত “মুখতাসারু সহিহীল
মুসলিম” এর উপর শায়েখ নাসীরুদ্দিন আলবানী (রহঃ) এর টিকা সংযোজন, তৃতীয় সংস্করণ, ১৯৭৭, আল- মাকতাবুল ইসলামি, পৃষ্ঠা-৫৪৮]

উল্লেখ্য তাঁর পিতা ছিলেন একজন হানাফি আলেম। এছাড়া তিনি তার জীবনে দীর্ঘ একটি সময় নিজেও হানাফী ছিলেন। তাঁর জীবনীতে লেখা হয়েছে, “প্রথম জীবনে হানাফী, পরবর্তী জীবনে নিজেই মুজতাহিদ ইমাম”। [সাবাতু মুয়াল্লাফাতিল আলবানী, আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আশ্-শামরানী, পৃষ্ঠা-২, ১৬]

শায়খ আব্দুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ (রহঃ) এর প্রতি অভিশাপঃ
শায়খ আব্দুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ সম্পর্কে শায়খ নাসীরুদ্দিন আলবানী (রহঃ) লিখেছেন “আল্লাহ তায়ালা তোমার হাত অবশ করে দিক এবং তোমার জিহ্ক্ষাকে কর্তন করুক । [কাশফুন নিকাব, পৃষ্ঠা-৫২]

তিনি আরও বলেন , সে হল উটের প্লেগ রোগের মত একটা মহামারী (গুদ্দাতুল বায়ীর)। অতঃপর তিনি হাসতে হাসতে উপহাস করে বললেন, তোমরা কি জানো, উটের প্লেগ কী?

ড. ইউসুফ আল-কারযাবী সম্পর্কে শায়েখের উক্তিঃ
তিনি ড. ইউসুফ আল-কারযাবী সম্পর্কে বলেছেন “তুমি ইউসুফ কারযাবী থেকে তোমার দৃষ্টি ফিরিয়ে রাখো এবং তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করো”। তিনি ড. ইউসুফ আল-কারযাবী সম্পর্কে আরও বলেছেন “ইউসুফ আল-কারযাবী শরীয়ত বিরোধী ফতোয়া প্রদান করে, তার কাছে রয়েছে ভয়ঙ্কর সব দর্শন”।

জালালুদ্দিন সূয়ূতী (রহঃ) সম্পর্কে শায়খ নাসীরুদ্দিন আলবানী লিখেছেন,  “কী আশ্চর্য! জালালুদ্দিন সূয়ূতী তাঁর জামে সগীরে কিভাবে এ হাদীস উল্লেখ করতে একটু লজ্জাবোধ করলেন না!” তিনি জালালুদ্দিন সূয়ূতী (রহঃ) সম্পর্কে আরও লিখেছেন- “জালালু্িদ্দন সূয়ূতী (রহঃ) হাঁক-ডাক ছেড়ে থাকেন।” [সিল-সিলাতুজ জয়িফা, খণ্ড-৪, পৃষ্ঠা-১৮৯]

ইমাম হাকেম, ইমাম যাহাবী এবং আল্লামা মুনযিরি (রহঃ) সম্পর্কে শায়েখের উক্তিঃ
শায়খ নাসীরুদ্দিন আলবানীর দৃষ্টিতে একটা হাদিস সহীহ নয়, অথচ অন্যান্য মুহাদ্দিস তাকে সহীহ বলায় তিনি হাদীসের বিখ্যাত তিন মুহাদ্দিস ইমাম হাকেম, ইমাম যাহাবী, ইমাম মুনযিরি (রহঃ) সম্পর্কে বলেছেন,
“হাকেম বলেছেন, হাদীসটির সনদ সহীহ। ইমাম যাহাবী তাঁর সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন।

ইমাম মুনযিরি (রহঃ) “তারগীব ও তারহীব” নামক কিতাবে তার স্বীকৃতি দিয়েছেন। আর এটি হয়েছে, তত্ত্ব-বিশ্লেষণের প্রতি উদাসীনতা, তাকলীদের প্রতি আত্মসমর্পণ (অন্ধানুকরণ), নতুবা একজন বিশ্লেষণধর্মী আলেম কিভাবে একে সহীহ বলতে পারেন”!

হাফেয তাজুদ্দিন সুবকী (রহঃ) সম্পর্কে শায়েখ নাসীরুদ্দিন আলবানী মন্তব্য করেছেন- মাযহাব অনুসরণের গোঁড়ামি তাঁকে প্ররোচিত করেছে। তাঁর কথা উল্লেখ করে এবং তাঁর গোঁড়ামির কথা আলোচনা করে তেমন উল্লেখযোগ্য কোন উপকারিতা নেই। [সিল-সিলাতুজ যয়িফা, খণ্ড-২, পৃষ্ঠা-২৮৫]

মূলতঃ শায়খ নাসীরুদ্দিন আলবানী পৃথিবী বিখ্যাত অধিকাংশ মুহাদ্দিসের হাদীসের সমালোচনা করেছেন। এবং এ সমালোচনার ক্ষেত্রে তিনি হাদীসশাস্ত্রের কোন মূলনীতিরও তোয়াক্কা করেননি। বড় বড় মুহাদ্দিসগণ যে সমস্ত হাদীসকে সহীহ বলেছেন, সেগুলোকে তিনি যয়ীফ বলেছেন, আবার তারা যেটাকে যয়ীফ বলেছেন, তিনি নিজের মত প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে সেগুলোকে সহীহ বলেছেন।

শায়েখ নাসীরুদ্দিন আলবানীর ভ্রান্ত বিষয়গুলির সম্পর্কে যুগশ্রেষ্ঠ আলেমগণ অত্যন্ত কঠোর মন্তব্য করেছেন। অধিকাংশ আলেম স্বতন্ত্র কিতাব লিখেছেন। “সাবাতু মুয়াল্লাফাতিল আলবানী” এর গ্রন্থকার এ ধরণের ৫৭টি কিতাবের নাম উল্লেখ করেছেন। এ সমস্ত গ্রন্থে শায়খ নাসীরুদ্দিন আলবানীর ভ্রান্তিগুলো আলোচনা করা হয়েছে।

নিম্নে যুগের বিখ্যাত কয়েকজন শরিয়ত- বিজ্ঞানীর মন্তব্য এবং কিতাবাদীর অবতরণ করা হয়েছে।

■স্কলারদের অভিমত
সাউদী আরবের প্রধান মুফতী আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ বিন বায এর নাছির উদ্দীন আলবানী সম্পর্কে অভিমতঃ
(ক) নাছির উদ্দীনআলবানী এমন প্রকাশ্য ভুল করেছেন যাহা আমাদের জানা মতে পূর্বের কোন আলেম এমনটি করেননি। তিনি আরো বলেন- আলবানী সাহেব ছহীহ হাদীস সমূহের বিরোধিতাকারী। (সূত্র: সালাসু রাসায়েল ফিসসালাত : ইবনে বাজ ১/২৮)
(খ) কখনো তিনি ছহীহ হাদীসকে জয়ীফ/দূর্বল বলে ভুল করেন, আবার কখনো দূর্বল হাদীসকে তিনি ছহীহ বলে ভুল করেন। (সূত্র : দরুস ইবনে বাজ : ১১/২৬, ২. মাজমুআয়ে ফতুয়া ইবনে বাজ : ২৫/৭১)

জামেয়াতুল ইমাম মুহাম্মাদ বিন সাউদ এর দাওয়া বিভাগের প্রধান ড.আব্দুল আযীয আল আসকার শায়েখ নাসীরুদ্দিন আলবানী (রহঃ) এবং তাঁর অনুসারীদের সম্পর্কে লিখেছেন, “আলবানী এবং তার অনুসারীরা মূলতঃ সালাফী নয়” অর্থাৎ এরা সালাফী (পূর্ববর্তীদের অনুসারী) হওয়ার দাবী করে কিন্তু বাস্তবে এরা সালাফী নয়।

আলবানী সাহেবের তাহকীকের প্রকৃত অবস্থা:
১. উদা বিন হাসান উদা ৫০০ হাদীসের একটি সঙ্কলন বের করেছেন। এই কিতাবে যে ৫০০ হাদীস উল্লেখ করা হয়েছে, এগুলো মুলত: আলবানী সাহেবের তারাজু বা পূর্বের মতামত থেকে ফিরে আসার ব্যাপারে আালোচনা করা হয়েছে। অর্থাৎ আলবানী সাহেব পূর্বে একটা হাদীসকে সহীহ বলেছেন, পরে মত পরিবর্তন করে সেটাকে যয়ীফ বলেছেন। এধরনের রুজু দু’একটি হাদীসে ঘটেনি। এখানে মোট পাচ শ হাদীস উল্লেখ করা হয়েছে।

■ শায়খ সম্পর্কে গ্রন্থাবলীঃ
এ সম্পর্কে কিতাব লিখেছেন তাদের কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হল-
১. শায়খ হাবীবুর রহমান আজমী (রহঃ)। তাঁর রচিত কিতাবের নাম-
ﺍﻷﻟﺒﺎﻧﻲ ﺷﺬﻭﺫﻩ ﻭﺃﺧﻄﺎﺅﻩ
২. উত্তর আফ্রিকার বিখ্যাত মুহাদ্দিস আব্দুল্লাহ আল-গুমারী (রহঃ)। তাঁর কিতাবের নাম হল-
” ﺍﻟﻘﻮﻝ ﺍﻟﻤﻘﻨﻊ ﻓﻲ ﺍﻟﺮﺩ ﻋﻠﻰ ﺍﻷﻟﺒﺎﻧﻲ ﺍﻟﻤﺒﺘﺪﻉ “
৩. শায়েখ আব্দুল আযীয গুমারী-
” ﺑﻴﺎﻥ ﻧﻜﺚ ﺍﻟﻨﺎﻛﺚ ﺍﻟﻤﻘﻌﺪﻱ ﺑﺘﻀﻌﻴﻒ ﺍﻟﺤﺎﺭﺙ “
৪. শায়েখ মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-খাজরাযী
” ﺍﻷﻟﺒﺎﻧﻲ ﺗﻄﺮﻓﺎﺗﻪ “
৫. উস্তাদ বদরুদ্দিন হাসান দিয়াব দামেশকী-
” ﺃﻧﻮﺍﺭ ﺍﻟﻤﺼﺎﺑﻴﺢ ﻋﻠﻰ ﻇﻠﻤﺎﺕ ﺍﻷﻟﺒﺎﻧﻲ ﻓﻲ ﺻﻼﺓ ﺍﻟﺘﺮﺍﻭﻳﺢ “
৬. শামের বিখ্যাত মুহাদ্দিস আব্দুল্লাহ আল- হারারী,
ﺍﻟﺘﻌﻘﺐ ﺍﻟﺤﺜﻴﺚ ﻋﻠﻰ ﻣﻦ ﻃﻌﻦ ﻓﻴﻤﺎ ﺻﺢ ﻣﻦ ﺍﻟﺤﺪﻳﺚ
৭. শায়েখ আব্দুল্লাহ বিন বায (রহঃ)
” ﺃﻳﻦَ ﻳﻀﻊ ﺍﻟﻤﺼﻠﻲ ﻳﺪﻩ ﻓﻲ ﺍﻟﺼﻼﺓ ﺑﻌﺪ ﺍﻟﺮﻓﻊ ﻣﻦ ﺍﻟﺮﻛﻮﻉ “
৮. শায়েখ ইসমাইল বিন মুহাম্মাদ আনসারী (রহঃ)
” ﺗﺼﺤﻴﺢُ ﺣﺪﻳﺚ ﺻﻼﺓ ﺍﻟﺘﺮﺍﻭﻳﺢ ﻋﺸﺮﻳﻦ ﺭﻛﻌﺔ ﻭﺍﻟﺮﺩّ ﻋﻠﻰ ﺍﻷﻟﺒﺎﻧﻲ ﻓﻲ ﺗﻀﻌﻴﻔﻪ “
৯. শায়েখ আব্দুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ (রহঃ)
” ﻛﻠﻤﺎﺕٌ ﻓﻲ ﻛﺸﻒ ﺃﺑﺎﻃﻴﻞ ﻭﺍﻓﺘﺮﺍﺀﺍﺕ “
১০. শায়েখ হাসান বিন আলী আস-সাক্কাফ
ﻗﺎﻣﻮﺱ ﺷﺘﺎﺋﻢ ﺍﻷﻟﺒﺎﻧﻲ ﻭﺃﻟﻔﺎﻇﻪ ﺍﻟﻤﻨﻜﺮﺓ ﻓﻲ ﺣﻖ ﻋﻠﻤﺎﺀ ﺍﻷﻣﺔ ﻭﻓﻀﻼﺋﻬﺎ ﻭﻏﻴﺮﻫﻢ
১১. শায়েখ হাসান বিন আলী আস-সাক্কাফ,
” ﺍﻟﺒﺸﺎﺭﺓُ ﻭﺍﻹﺗﺤﺎﻑ ﻓﻴﻤﺎ ﺑﻴﻦ ﺍﺑﻦ ﺗﻴﻤﻴﺔ ﻭﺍﻷﻟﺒﺎﻧﻲ ﻓﻲ ﺍﻟﻌﻘﻴﺪﺓ ﻣﻦ ﺍﻻﺧﺘﻼﻑ”

বিখ্যাত সালাফী আলেমদের মধ্যে যারা শায়েখ নাসীরুদ্দিন আলবানী (রহঃ) এর এ সমস্ত ভ্রান্ত বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করেছেন, তাদের কয়েকজনের নাম নিচে উল্লেখ করা হল-   ১. শায়েখ আব্দুল্লাহ বিন বায (রহঃ)। ২. শায়েখ হামুদ বিন আব্দুল্লাহ (রহঃ)।  ৩. ড. বকর বিন আব্দুল্লাহ আবু যায়েদ।  ৪. শায়েখ  ব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আদ-দাবীশ (রহঃ)।  ৫. সফর বিন আব্দুর রহমান। ৬. মুহাদ্দিস আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান সা’আদ। ৭. শায়েখ আব্দুল্লাহ বিন মা’নে আল-উতাইবি। ৮. শায়েখ ফাহাদ বিন আব্দুল্লাহ আস-সুনাইদ। ৯. আবু আব্দুল্লাহ মুস্তফা আল-আদাবী।

জামেয়াতুল ইমাম মুহাম্মাদ বিন সাউদ এর দাওয়া বিভাগের প্রধান ড.আব্দুল আযীয আল আসকার শায়েখ নাসীরুদ্দিন আলবানী (রহঃ) এবং তাঁর অনুসারীদের সম্পর্কে লিখেছেন, “আলবানী এবং তার অনুসারীরা মূলতঃ সালাফী নয়” অর্থাৎ এরা সালাফী (পূর্ববর্তীদের অনুসারী) হওয়ার দাবী করে কিন্তু বাস্তবে এরা সালাফী নয়।

☆আল্লাহ আমাদের সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলার তাওফিক দিন।

সাংবাদিক, কলামিস্ট। প্যারিস, ফ্রান্স।

About Islam Tajul

mm

এটাও পড়তে পারেন

কওমি মাদরাসা কল্যাণ ট্রাস্ট, বাংলাদেশ

খতিব তাজুল ইসলাম ট্রাস্টের প্রয়োজনীয়তাঃ কওমি অংগন একটি স্বীকৃত ও তৃণমূল প্লাটফর্ম। দেশ ও জাতির ...