সোমবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ ইং
কমাশিসা পরিবারবিজ্ঞাপন কর্নারযোগাযোগ । সময়ঃ রাত ১০:২৬
Home / আমল / রজব মাসের প্রথম বৃহঃস্পতিবার মাগরিব পর সালাতুর রাগায়িব, একটি ভিত্তিহীন আমল

রজব মাসের প্রথম বৃহঃস্পতিবার মাগরিব পর সালাতুর রাগায়িব, একটি ভিত্তিহীন আমল

মুফতি রেজাউল কারীম আবরার

বর্তমানের রুসম পালনে যারা আগ্রহী, তারা সালাতুর রাগায়েব নামে রজব মাসের প্রথম বৃহস্পতিবারে মাগরিবের পর একটি বিশেষ নামায পড়ে থাকেন। ‘সালাতুর রাগায়িব’ নামে তারা যেটাকে অভিহিত করেন। যে নামাযের বিশেষ ফযীলত কিছু বক্তার মুখে মুখে এবং অনির্ভরযোগ্য কিতাবাদিতে রয়েছে। এখানে ‘বারো চান্দের ফযীলত’ থেকে প্রথমে সে নামাযের ফযীলত উল্লেখ করছি। পরে সেগুলোর উপর পর্যালোচনা করবো ইনশাআল্লাহ। ‘বার চান্দের ফযীলত’ নামক কিতাবে বলা হয়েছে:
“মশহুর মাশায়েখগণ রজব মাসের প্রথম বৃহস্পতিবার রাত্রিকে ‘লাইলাতুর রাগায়েব’ বলিয়া অভিহিত করিয়াছেন। এই রাত্রিতে মাগরিব নামাযের পরে দৃই রাকআতের নিয়তে মোট বারো রাকআত নামায আদায় করিবে। এই নামাযের প্রতি রাকআতে সূরার ফাতিহার পরে সূরা ক্বদর তিনবার এবং সূরা ইকলাস দশবার পড়িবে। নামায শেষে নিম্নের দরুদ শরীফ ৭০-বার পড়িবে। দুরুদ এই:
اللهم صل على محمد النبي الأمي وعلى آله وسلم
অতঃপর ‘আল্লাহু আকবার’ বলিয়া সিজদায় যাইবে এবং নিম্নের দোয়া ৭০ বার পড়িবে:
سبوح قدوس رب الملائكة والروح
তৎপর সিজদা হইতে উঠিয়া বসিয়া নিম্নের দোয়া ৭০বার পড়িবে। দোয়াটি এই:
رب اغفر وارحم وتجاوز عما تعلم فإنك أنت العزيز الأعظم
অতঃপর পুনরায় সিজদায় যাইয়া দ্বিতীয় দোয়াটি ৭০বার পড়িবে। সিজদা হইতে উঠিয়া বসিয়া পুনঃ তৃতীয় দোয়াটি ৭০বার পড়িবে। এখন আল্লাহর দরবারে হাত তুলিয়া যাহাই প্রার্থনা করিবে, তিনি তাহাই কবুল করিবেন।
উক্ত কিতাবে যে বর্ণনার ভাবার্ত উল্লেখ করা হয়েছে, সেটার আরবী পাঠ হলো নিম্নরূপ:

فما من أحد يصوم أول خميس من رجب ثم يصلي ما بين المغرب والعشاء يعني ليلة الجمعة اثنتي عشر ركعة يقرأ في كل ركعة فاتحة الكتاب مرة وإن أنزلناه في ليلة القدر ثلاث مرات وقل هو الله أحد اثنتي عشرة مرة ويفصل بين كل ركعتين بتسليمة فإذا فرغ من صلاته صلى علي سبعين مرة يقول اللهم صل على محمد النبي الأمي وعلى آله وسلم ثم يسجد سجدة يقول في سجوده سبوح قدوس رب الملائكة والروح سبعين مرة ثم يرفع رأسه فيقول رب اغفر وارحم وتجاوز عما تعلم فإنك أنت العزيز الأعظم سبعين مرة ثم يسجد الثانية فيقول مثل ما قال في الأولى يسأل الله حاجته في سجوده فإنها تقضى والذي نفسي بيده ما من عبد ولا أمة صلى هذه الصلاة إلا غفر الله له جميع ذنوبه ولو كانت مثل زبد البجر وعدد الرمل ووزن الجبال وعدد قطر الأمطار وورق الأشجار وشفع يوم القيامة في سبعمائة من أهل بيته فإذا كان أول ليلة في قبره جاء ثواب هذه الصلاة بوجه طلق ولسان زلق فيقول له يا حبيبي أبشر فقد نجوت من كل شدة فيقول من أنت فوالله ما رأيت رجلا أحسن وجها من وجهك ولا سمعت كلاما أحلى من كلامك ولا شممت رائحة أطيب من رائحتك فيقول له يا حبيبي أنا ثواب تلك الصلاة التي صليتها في ليلة كذا من شهر كذا من سنة كذا جئت الليلة لأقضي حاجتك وآنس وحدتك وأدفع عنك وحشتك فإذا نفخ في الصور أظللتك في عرصة القيامه على رأسك فأبشر فلن تعدم الخير من مولاك أبدا

উক্ত বর্ণনার শেষে এমন কিছু ফযীলত উল্লেখ করা হয়েছে, যা ‘বার চান্দের ফযীলত’ এ উল্লেখ করা হইনি। বর্ণনার শেষে বলা হয়েছে: যার হাতে আমার প্রাণ, তার নামে শপৎ করে বলছি: আল্লাহর যে বান্দা এ নামায পড়বে তাঁর জীবনের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। যদিও তা সমুদ্রের ফেনা পরিমাণও হয়। অথবা বালুকণা পরিমাণ হোক। অথবা পাহাড়ের ওজন পরিমাণ হোক। বৃষ্টির ফোটা পরিমাণ হোক। গাছের পাতা পরিমাণ হোক। সে কিয়ামতের দিন তাঁর পরিবারের সাতশজনকে সুপারিশ করবে। কবরের প্রথম দিন এ নামাযের সওয়াব তাঁর নিকট আলোকজ্জ্বোল চেহারা নিয়ে এসে মধুর ভাষায় বলবে: হে আমার বন্ধু, সুসংবাদ গ্রহণ করো। তুমি সবধরণের শাস্তি থেকে মুক্তি পেয়েছো। ঐ ব্যক্তি বলবে: তুমি কে? আল্লাহর শপৎ, আমি তোমার মত সুন্দর চেহারার কাউকে দেখিনি। তোমার চেয়ে মিষ্ট কারো কথা শুনিনি। তোমার থেকে যে ঘ্রাণ আসছে, তার চেয়ে উত্তম ঘ্রাণ আর কখনো আমার অনুভূত হয়নি। সে বলবে: হে আমার বন্ধু, আমি হলাম তোমার সে রাতের নামাযের সওয়াব, যে নামায তুমি অমুক মাসের এত তারিখে পড়েছিলে। আজ আমি তোমার সঙ্গ দেওয়ার জন্য তোমার কাছে এসেছি। তোমার একাকীত্ব দুর করার জন্য। যখন কিয়ামতের জন্য শিঙ্গায় ফুৎকার দেওয়া হবে, আমি কিয়ামতের ময়দানে তোমার মাথায় ছায়া হয়ে থাকবো। তুমি সুসংবাদ গ্রহণ করো। প্রভূর কল্যাণে তুমি সর্বদা বিভূষিত হবে।
যদি এ বর্ণনাটি যদি সহীহ হয়, তাহলে এক নামায দ্বারাইতো কেল্লা ফতেহ! কিন্তু আমরা অনুসন্ধান করলে দেখা যায় যে, এটি একটি জাল এবং বানোয়াট বর্ণনা। দুষ্ট লোকেরা বানিয়েছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এর সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। এজন্য ‘লাইলাতুর রাগায়িব’ এর নামায পরিস্কার বেদয়াত। দেখুন বর্ণনাটি সম্পর্কে বিদগ্ধ মুহাদ্দিসগণ কী বলেন?
ইমাম ইরাকী রহ. বলেন:
أورده رزين في كتابه وهو حديث موضوع
অর্থাৎ বর্ণাটি রাজীন তার কিতাবে উল্লেখ করেছেন। তবে এটি জাল। (আল আছারুল মারফুআ, পৃষ্টা নং)
ইমাম ইবনুল জাওযী বর্ণনাটি সম্পর্কে বলেন:

هذا حديث موضوع على رسول الله صلى الله عليه وسلم، وقد اتهموا به ابن جهيم ونسبوه إلى الكذب، وسمعت شيخنا عبد الوهاب الحافظ يقول: رجاله مجهولون، وقد فتشت عليهم جميع الكتب فما وجدتهم.

অর্থাৎ বর্ণনাটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নামে জালকৃত। বর্ণনাটির একজন বর্ণনাকারী হলো: ইবনে জাহযাম। সে মিথ্যার অভিযোগে অভিযুক্ত। কেউ কেউ তাকে মিথ্যুক বলেছেন। আমার আমার শায়খ হাফিজ আবদুল ওয়াহহাবকে বলতে শুনেছি যে, এ বর্ণনার সকল বর্ণনাকারী মাজহুল তথা অজ্ঞাত। আমি সকল কিতাব হাতড়িয়েছি। কিন্তু তাদের জীবনবৃত্তান্ত পাইনি। (কিতাবুল মাওযুয়াত, ২/১০৯)
ইবনে জাহযাম ‘লাইতুর রাগায়িব’ এর এ বর্ণনাটি তৈরী করে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নামে চালিয়ে দিয়েছে ইমাম যাহাবীর বক্তব্য থেকেও এমনটা বুঝা যায়। তিনি তাঁর সম্পর্কে বলেন:

على بن عبدالله بن جهضم الزاهد، أبو الحسن شيخ الصوفية بحرم مكة، ومصنف كتاب بهجة الاسرار. متهم بوضع الحديث. روى عن أبي الحسن على بن إبراهيم بن سلمة القطان، وأحمد بن عثمان الآدمى، والخلدى، وطبقتهم. قال ابن خيرون: تكلم فيه. قال: وقيل إنه يكذب. وقال غيره: اتهموه بوضع صلاة الرغائب. توفى سنة أربع عشرة وأربعمائة.

অর্থাৎ ইবনে জাহযাম, তিনি হাদীস জাল করার অভিযোগে অভিযুক্ত।
ইবনে খাইরুন বলেছেন: তাঁর ব্যাপারে অনেকেই নেতিবাচক কথা বলেছেন।
তিনি আরো বলেন: কেউ কেউ তাকে মিথ্যুক বলেছেন।
কেউ কেউ বলেন: তাকে ‘সালাতুর রাগায়িব’ এর হাদীস জাল করার অভিযোগে অভিযুক্ত অনেকেই করেছেন। (মিযানুল এতেদাল, ৩/১৪২ তরজমা নং, ৫৮৭৯)
ইমাম ইবনে রাজব হাম্ভলী রহ. বলেন:

والأحاديث المروية في فضل صلاة الرغائب في أول ليلة جمعة من شهر رجب كذب وباطل لا تصح وهذه الصلاة بدعة عند جمهور العلماء ومن ذكر ذلك من أعيان العلماء المتأخرين من الحفاظ أبوإسماعيل الأنصاري وأبوبكر بن السمعاني وأبوالفضل بن ناصر وأبوالفرج بن الجوزي وغيرهم إنما لم يذكرها المتقدمون لأنها أحدثت بعدهم وأول ما ظهرت بعد الأربعمائة فلذلك لم يعرفها المتقدمون ولم يتكلموا فيها

অর্তাৎ সালাতুর রাগায়িবের ফযীলত সংক্রান্ত বর্ণিত সকল রেওয়ায়াত মিথ্যা এবং বাতিল। এ নামায উম্মতের অধিকাংশ উলামায়ে কেরামের মতে বেদয়াত। মুতাআখখিরীন তথা পরবর্তীদের থেকে হাফেয আবু ইসমাইল আনসারী, আবু বরক বিন সাময়ানী, আবুল ফযল বিন নাসের এবং ইবনুণ জাওযী সহ আরো অনেকে এমনটা উল্লেখ করেছেন। কিন্তু পূর্ববর্তী কেউ এ সম্পর্কে কিছু বলেননি। কেননা এটা আবিস্কৃত হয়েছে তাঁদের পরে। এ নামায শুরু হয়েছে চারশ বছর পরে। এজন্য পূর্ববর্তীরা এ নামায সম্পর্কে জানেননি এবং কথা বলেননি। (লাতায়িফুল মাআরিফ, ১৬৫, দারুল হাদীন কাহেরা)
ইমাম নববী রহ. বলেন:

أما صلاة الرغائب وهي اثنتي عشرة ركعة بين المغرب والعشاء ليلة أول جمعة من رجب وصلاة ليلة النصف من شعبان مائة ركعة فليستا بسنتين بل هما بدعتان قبيحتان مذمومتان ولا تغتر بذكر أبي طالب المكي لهما في قوت القلوب ولا بذكر حجة الإسلام الغزالي لهما في إحياء علوم الدين ولا بالحديث المذكور فيهما فإن كل ذلك باطل

আর ‘সালাতুর রাগায়িব’ হলো রজব মাসের প্রথম জুমার রাতে মাগরিব এবং এশার মধ্যবর্তী সময়ে বিশেষ পদ্ধতির নামায। এটা সুন্নাত নয়। বরং নিন্দিত এবং ঘৃণিত বেদয়াত। আবু তালিব মাক্কী এর ‘কূতুল কুলূব’ এবং গাজালী রহ. এর ‘ইহয়ায়ু উলূমিদ দ্বীন’ এ উল্লেখ করার কারণে তুমি ধোকায় পড়োনা। উল্লেখিত হাদীস দ্বারাও ধোকায় পড়োনা। কেননা এটা বাতিল। (আল আছারুল মারফুআ, পৃষ্টা নং ৫৫)
ইবনে আমীর আল হাজ আস সানআনী রহ. বলেন:

وَمِنْ الْبِدَعِ الَّتِي أَحْدَثُوهَا فِي هَذَا الشَّهْرِ الْكَرِيمِ : أَنَّ أَوَّلَ لَيْلَةِ جُمُعَةٍ مِنْهُ يُصَلُّونَ فِي تِلْكَ اللَّيْلَةِ فِي الْجَوَامِعِ ، وَالْمَسَاجِدِ صَلَاةَ الرَّغَائِبِ ، وَيَجْتَمِعُونَ فِي بَعْضِ جَوَامِعِ الْأَمْصَارِ وَمَسَاجِدِهَا وَيَفْعَلُونَ هَذِهِ الْبِدْعَةَ وَيُظْهِرُونَهَا فِي مَسَاجِدِ الْجَمَاعَاتِ بِإِمَامٍ وَجَمَاعَةٍ كَأَنَّهَا صَلَاةٌ مَشْرُوعَةٌ ، وَانْضَمَّ إلَى هَذِهِ الْبِدْعَةِ مَفَاسِدُ مُحَرَّمَةٌ ، وَهِيَ اجْتِمَاعُ النِّسَاءِ ، وَالرِّجَالِ فِي اللَّيْلِ عَلَى مَا عُلِمَ مِنْ اجْتِمَاعِهِمْ وَأَنَّهُ لَا بُدَّ أَنْ يَكُونَ مَعَ ذَلِكَ مَا لَا يَنْبَغِي مَعَ زِيَادَةِ وَقُودِ الْقَنَادِيلِ وَغَيْرِهَا .
وَفِي زِيَادَةِ وَقُودِهَا إضَاعَةُ الْمَالِ لَا سِيَّمَا إذَا كَانَ الزَّيْتُ مِنْ الْوَقْفِ فَيَكُونُ ذَلِكَ جُرْحَةً فِي حَقِّ النَّاظِرِ لَا سِيَّمَا إنْ كَانَ الْوَاقِفُ لَمْ يَذْكُرْهُ ، وَإِنْ ذَكَرَهُ لَمْ يُعْتَبَرْ شَرْعًا .
وَزِيَادَةُ الْوُقُودِ مَعَ مَا فِيهِ مِنْ إضَاعَةِ الْمَالِ كَمَا تَقَدَّمَ سَبَبٌ لِاجْتِمَاعِ مَنْ لَا خَيْرَ فِيهِ ، وَمَنْ حَضَرَ مِنْ أَرْبَابِ الْمَنَاصِبِ الدِّينِيَّةِ عَالِمًا بِذَلِكَ فَهُوَ جُرْحَةٌ فِي حَقِّهِ إلَّا أَنْ يَتُوبَ ، وَأَمَّا إنْ حَضَرَ لِيُغَيِّرَ وَهُوَ قَادِرٌ بِشَرْطِهِ فَيَا حَبَّذَا ،

অর্থাৎ রজব মাসের বেদয়াতের মধ্য একটি হলো:রজবের প্রথম বৃহঃস্পতিবার রাতে জামে মসজিদে একত্রিত হয়ে নামায পড়া। যেটাকে বলা হয় সালাতুর রাগায়িব। মানুষ এ বেদয়াত এমনভাবে করছে যেন এটি একটি শরীয়তসিদ্ধ বিষয়। এছাড়া বেদয়াতের সাথে আরো অনেকগুলো হারাম কাজ যুক্ত হয়। সেটা হলো পুরুষ এবং মহিলা রাত্রে একত্রিত হওয়া। অতিরিক্ত আলোকসজ্জা। কেননা অতিরিক্ত আলোকসজ্জার কারণে সম্পদের অপচয় হয়। বিশেষত বাতিগুলো যদি ওয়াকফের সম্পদ দ্বারা জ¦ালানো হয়। তাহলে এটাতো মারাত্বক দৃষ্টতা। ওয়াকফকারী যদি বিসয়টি উল্লেখও করে, তারপর সেটা গ্রহণযোগ্য হবেনা। (আল মাদখাল, ১/৪৫০, )

মোটকথা হলো: রজব মাসের প্রথম বৃহঃস্পতিবার রাতে কোন বিশেষ নামায রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তাঁর সাহাবাদের থেকে প্রমাণিত নয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগের চারশো বছর পর এ নামায প্রবর্তন হয়। এজন্য সে রাতে বিশেষ পদ্ধতির সে নামায আদায় করা বেদয়াত। আর সেই নামাযের ফযীলত বুঝানোর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নামে যে হাদীস চালানো হয়, সেটা জাল এবং বানোয়াট। কারণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ ধরণের কোন নামায আদায় করলে সাহাবায়ে কেরাম অবশ্যই তা আদায় করতেন এবং অনেক সাহাবী থেকে সে আমল বর্ণিত হত। আল্লাহপাক আমাদের সঠিক পথে পরিচালিত করুন।

About Abul Kalam Azad

mm

এটাও পড়তে পারেন

কওমি মাদরাসা কল্যাণ ট্রাস্ট, বাংলাদেশ

খতিব তাজুল ইসলাম ট্রাস্টের প্রয়োজনীয়তাঃ কওমি অংগন একটি স্বীকৃত ও তৃণমূল প্লাটফর্ম। দেশ ও জাতির ...