শুক্রবার, ১৪ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং
কমাশিসা পরিবারবিজ্ঞাপন কর্নারযোগাযোগ । সময়ঃ সকাল ৯:৩৭
Home / অনুসন্ধান / ময়দানের পাবলিক আপনাদের সম্পর্কে কি বলছে একটু দেখবেন কি?

ময়দানের পাবলিক আপনাদের সম্পর্কে কি বলছে একটু দেখবেন কি?

দল ভাংগে কেন?

উদ্দেশ্য ছিলো ইসলামী দলগুলোর ভংগার কারণ অনুসন্ধান।

আল-হামদুলিল্লাহ! অনেক ভাই এগিয়ে এসেছেন। যার তার মনের কথা কমেন্টে বলেছেন। প্রশ্ন হলো যাদের আমরা দল ভাংগার কারিগর হিসাবে দেখি তারা কি আমাদের মত সাধারণ কেউ? না, অবশ্যই না। বোখারি শরিফের উস্তাদ, সিহাহ সিত্তার মুহাদ্দিস, শত শত আলেমের উস্তাদ, টাইটেল মাদরাসার শাইখুল হাদীস ও মুহতামীম, পীরে কামীল, আসলাফের আমানত, উম্মাহর রাহবর, বিখ্যাত দরবেশ, মুজাহিদে আজম, জামানার ওলী, খলীফায়ে মদনী থানভী! সুন্নাতে নববীর পাক্কা পাবন্দ! জিন্দাদিল ইনসান বলে যাদের আমরা চিনি জানি! তারাই হলেন ভাংগা গড়ার সাথে জড়িত।

সাধারণ মাঠ পর্যায়ের জনতার মন্তব্য রায় ও তাদের সম্পর্কে যে ধারণা এখন প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে সে ব্যাপারে তারা কি অবহিত আছেন? দিনরাত যারা মানুষকে ওয়াজ নসীহত করেন; তাদের কর্মের মূল্যায়ন কি হচ্ছে সে বিষয়টুকু কি কাছের লোক গুলো একটু শুনিয়ে দিবে?

নাকি বরাবরের মত বলবেন যে, ওসব বদনাম প্রুফাগান্ডা! ইহুদীদের কারসাজি?

ময়দানের পাবলিক আপনাদের সম্পর্কে কি বলছে একটু দেখবেন কি?

Gazi Hasan Siddik পদ ও বেশী আয়রোজগারের আশায় ।

Ziaur Rahman পদ পদ পদ চাই!!


ইকবাল বিন হাবিব
 পদ ছাড়া উপায় নাই

শাহ আবদুস সালাম ছালিক বেশি ঈমানদারীর কারণে।

Kawsar Ahmod নেতার নীতি ঠিক না থাকলে।

মাকসোদ আহমাদ স্বার্থপরতার ভাইরাস এবং তাকওয়ার অভাব।

Riaj Al Mamun বড় হলে ভাংবে।।

Khaled Ahmed লোভ লোভ লোভ।

Ruhul Amin Dilwaar কে নেতা হইতো এর লাগি।

Humaun Pirojpuri হুজুরদের মন কত ছোট, সামান্য ছোট্ট একটি দলের নেতৃত্ব নিয়ে যদি এই অবস্হা হয়, তাহলে এসব হুজুররা ক্ষমতায় গিয়ে কি করবে তা সহজে অনুমেয়!!!!

Shaheen Hamidullah চেয়ার-টেবিল সর্বস্ব একটি দলকেও যারা টিকিয়ে রাখতে পারে না, তারা রাষ্ট্র পেলে কি করবে? একদিনেই ভেঙে চুরে শেষ করে দেবে সব।

Monsur Ahmed প্রধান কারণ অযোগ্য নেতৃত্ব।

Kazi Jahidur Rahman স্বার্থপর দালালদের জন্য।

Sheikh M Shahid বেশী লোক হলে নেতা বেশী হয়, নেতা বেশী হলে অনেকেই পদ পদবি পায়না তাই, দুঃখ যাতনায় দল ভেঙে যায়।

Mahbub Rahman dol bhange 3ti karone 1, khomota 2 aurtho 3 moter omil

শিবলী বিন ইউসুফ পদ ও পদবী না পাওয়ার বেদনায়।

Fazal Ahmed ১ ক্ষমতা লোভ।
২ পদের লোভ।
৩ অহমিকা (আমি তার চেয়ে বড় আলেম)
৪ আব্দুর রব ইউসুফী মার্কা আলেম।

Sultan Mehmood Ansari শুধু নেতার পরিবর্তন নয় নীতির ও পরিবর্তন হতে হবে।

Moinul Chowdhury কর্মীর আগে নেতা পারফেক্ট হতে হবে। আর আনাল হক্ব মনোভাব পরিত্যাগ করতে হবে।
উস্তাদ মওদূদী র: মত তাকওয়া আর দূরদর্শি হওয়া লাগবে,দেখবেন মৃত্যুর পরও দলভাংবে না,বিপদের পাহার আসলেও না। জামায়াত এর প্রকৃত উদাহরণ।

Saeed Kadir হুব্বে রিয়াসাত ও খোদপছন্দী।

Mujibur Rahman কর্মীরা যখন সবাই নেতা হয়ে যান,দল তখন ভেঙ্গে যায়।

Kabir Ahmed দল ভাঙ্গার কারন সমুহ।১শিক্ষায় গুড়ামি ২সাংগঠনিক অযোগ্যতা ৩ অহংকার ৪ দলিয় সংবিধান অপরিপূর্ণ ৫পদের লোভ ৬ এখলাছ না থাকা ৭আনুগত্যহিন রাজনীতি ৮ইসলামী আন্দোলনও বিপ্লবের দির্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা না থাকা ৯ আন্তর্জাতিক বিষয়ক জ্ঞান সিমিত বা নাই ১০মানব প্রেম” দ্বিন দরদি”দেশ প্রেম”দল প্রেম নেই।তাই দল সমুহ ভাঙ্গে।

Md Wahiduzzaman ইসলামী দল ভাঙ্গার কারন আমার বিবেচনায় নিম্মরুপ –
১. ব্যক্তি কেন্দ্রীক দল পরিচালানা !
২. শুরা ও সংশ্লিষ্ট ফোরামে পরামর্শ না করা !
৩. সু নির্দৃষ্ট লক্ষ উদ্দেশ্যের আলোকে কোরআন সুন্নাহ ও খোলাফায়ে রাশেদার আদর্শে গঠনতন্ত্র প্রনয়ন না করা !
৪. প্রতিষ্ঠান প্রধান ও শায়খ নির্ভর হওয়া !
৫. বিভিন্ন দুর্বলতার সুযোগে অতিমাত্রায় তোষামোদি, কান কথা ও জ্বি হযরত জ্বি হযরত বয়ান পেশ করা !
৬. সাংগঠনিক মেজাজে নেতৃত্ব গড়ে না উঠা !
৭. সাহেবজাদগন কে যোগ্যতায় না হলেও উচ্চপদে পদায়ন করা !
৮. সাংগঠনিক স্তরে জনশক্তি শ্রেনী বিভেধ না থাকা !
৯. সব আলোচনা বা সিদ্ধান্ত সব জায়গায় না নেয়া !
১০. সকল স্তরের জনশক্তির স্ব স্ব অবস্হানে জবাব দিহিতার আওতায় না আনা !
১১. সকল জনশক্তি ও প্রোগ্রামে এহতাসাবের ব্যবস্হা না থাকা !
১২. সংগঠনের নির্ধারিত সেশনের মধ্যে কার্যক্রমের যাতীয় রিপোর্ট পেশ না করা !
১৩. সেশনের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কমিটি পূনর্গঠন না করা !
১৪ . সর্বপরি শৃঙ্খলা মেনে নেতৃত্বের আনুগত্য প্রদর্শন না করা !
১৫. দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্ব গড়ে না উঠা এবং হুটহাট করে সিদ্ধান্ত গ্রহন করা !
১৬. সবশেষে বড় হযরতের পছন্দসই কোন কিছু না করা বা তার মতের বাহিরে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া !

Abdul Mukit Mamun ব্যক্তিগত লোভ লালসা,অদক্ষ ও দুর্ভল নেতৃত্ব,দলকে ব্যক্তি নির্ভর করে ফেলা,চাটুকার ও মুসাহেব প্রকৃতির কর্মীদের প্রাধন্য,যোগ্য ও দক্ষ কর্মীবাহিনা না থাকা,পরামর্শকে গুরুত্ব না দেয়া,দলীয় সমস্যা তড়িত সমাধান করতে না পাড়,গঠনতন্ত্র না মানা,গণসম্পৃক্ততা না থাকা,রাজনৈতিক ও সাংগাঠনিক কর্মসুচী সমুহ যথাযথ ভাবে পালন করতে না পাড়া,যেন তেন ভাবে মন্ত্রী এমপি হওয়ার খায়েশ প্রবল হওয়া ও ইখলাছ না থাকা ইত্যাদি।

Moinul Chowdhury কর্মীর আগে নেতা পারফেক্ট হতে হবে। আর আনাল হক্ব মনোভাব পরিত্যাগ করতে হবে।
উস্তাদ মওদূদী র: মত তাকওয়া আর দূরদর্শি হওয়া লাগবে,দেখবেন মৃত্যুর পরও দলভাংবে না,বিপদের পাহার আসলেও না। জামায়াত এর প্রকৃত উদাহরণ।

মুহাম্মদ আব্দুল গণী কপি পোস্ট :
রাজনীতি ও তাদরীস এক নয়।আপনার একজন উস্তাদ। আল্লাহওয়ালা মানুষ। বড় মুহাদ্দিস। আপনি একটা গাড়ি কিনলেন। বরকতের উদ্দেশ্যে উস্তাদকে দিয়ে প্রথম দিন গাড়ি চালাতে মনস্থ করলেন। অথচ হুজুর ড্রাইভিং জানেন না। এখন হুজুরকে গাড়ি চালাতে দিলে অবস্থা কী হবে! গাড়ি রাস্তায় থাকবে না; ধানক্ষেতে গিয়ে পড়বে।
.
আমাদের এলাকার বিখ্যাত ব্যক্তি হলেন কারী হাবিবুল্লাহ বেলালী। তিনি একবার জাতীয় পার্টি থেকে সংসদ নির্বাচন করেছিলেন। হাজার দশেক ভোটও পাননি; অথচ তার একটি মাহফিলেই ১৫/২০ হাজার লোক হয়।
একই আসনের বিখ্যাত আলেম মাও. মরহুম মুহিউদ্দীন খানকে এলাকার লোকজন তেমন চিনেন না বলেই চলে। তার দলের অবস্থান আরও ভয়াবহ।
এভাবে আরও অনেক আলেমের নাম বলা যাবে যাদের বিরাট জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও নির্বাচনে জামানত হারানোর উপক্রম।
.
আমাদের দেশ গণতান্ত্রিক। এ সমাজের জনগণের মেজাজ ও চাহিদা বুঝে নির্বাচনে আসতে হবে। আইন ও সেবার সাথে নেতৃত্বের বিরাট সম্পর্ক। তৃতীয়ত টাকার প্রভাব অনেক বেশি।
বাংলাদেশের কয়জন আলেম এডভোকেট/ব্যারিস্টার?
কয়জন আলেম শিল্পপতি?
কয়জন আলেম জনসেবায় বিরাট অবদান রেখে চলেছেন?
.
গণতান্ত্রিক দেশে হুজুগের চেয়ে সাংগঠনিক শক্তির অনেক গুরুত্ব। সংগঠন শক্তিশালী হবে ঐক্যের মাধ্যমে। এবং সংগঠন সচল থাকবে কিছু নিবেদিতপ্রাণ নেতার দ্বারা; সবসময় সংগঠন নিয়ে কাজ করবেন। সংগঠন তাদের যাবতীয় প্রয়োজন মেটাবে।
.
আমাদের দেশে কওমি ও দেওবন্দিদের জনপ্রিয়তা কেবল দীন ইসলামকেন্দ্রিক। রাজনীতি ও নির্বাচনে তাদের অবস্থান অনেক শোচনীয়। এর কারণ কী?
১. অনৈক্য।
২. আইন সম্পর্কে ধারণা নেই। সাধারণ শিক্ষিত লোক কম।
৩. জনসেবায় উল্লেখযোগ্য অবদান নেই।
৪. বিত্তশালী নয়।
৫. রাজনৈতিক প্রজ্ঞার অভাব।
৬. সাংগঠনিক দক্ষতা নেই।
৭. ব্যক্তি ও পরিবার-নির্ভরতা।
আরও কারণ আছে। তবে ইখলাস ও তাকওয়ার কমতি দেখি না। এমন বুযুর্গদের কিভাবে বলি তাদের ইখলাস নেই! তাদের তাকওয়া নেই!
.
স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তারা কোনো আদর্শ সংগঠন উপহার দিতে পারেনি। বিচ্ছিন্ন ও বিক্ষিপ্তভাবে কিছু কাজ আছে; কিন্তু সেগুলো দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। দেওবন্দি ধারার সবগুলো সংগঠন এক ছাতার নিচে আসলে এদেশে তৃতীয় বৃহত্তর দল হতে পারত তারা। চরমোনাই, খেলাফত ও জমিয়তসহ সব দল একই মতাদর্শের অধিকারী দাবি করলেও বাস্তবে তাদের মধ্যকার বিবেদ ও মতানৈক্য অত্যন্ত প্রকট।
কওমি ধারার সব গ্রুপ এক হয়ে কাজ করলে তাদের অবস্থান সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবে। কিন্তু সেটা সুদূরপরাহত বলেই মনে হচ্ছে।
.
অমিত সম্ভাবনা জাগিয়েছিল খেলাফত মজলিস। ২০০৫ সনে খেলাফত দু টুকরো হওয়ার সাথে সাথে আমার মতো হাজারো কর্মীর মনও ভেঙে কয়েক টুকরো হয়ে যায়। এরপর আলেমদের রাজনীতি নিয়ে আলোচনা শুনলে হাসি আসে। এ হাসি বেদনার। এই হাসির নিচে লুকিয়ে আছে অব্যক্ত যাতনা ক্ষোভ।
আমার মনে হয়, রাজনীতি ও তাদরীসকে আমরা গুলিয়ে ফেলছি। দুটো ভিন্ন বিষয়। বাস্তবতা সামনে রেখে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। হুজুগ দিয়ে কিচ্ছু হবে না।
জমিয়তের ভাঙন ও বেগমদের কাছে বিচার নিয়ে গমন আমাদের রাজনৈতিক দেওলিয়াপনার আরেকটি নিকৃষ্ট উদাহরণ।

Mawlana Ashiqur Rahman Eklas Dorkar

Sh Didar · 15 mutual friends

১/গনতান্ত্রীক পদ্ধতি ২/তাগুতদের সাথে জোট ৩/ পদ লোভী কিছু তেনার (নেতা)জন্য।

 

About Islam Tajul

mm

এটাও পড়তে পারেন

প্যান্ডেলের বাইরে সাউন্ড ব্যবহার করা নাজায়েয!

মুহিউদ্দীন কাসেমী: কিছুদিন আগে কী এক কাজে যেন ঢাকায় গেলাম। এশার সময় ট্রেনে ফিরলাম। স্টেশনে ...