শনিবার, ২৫শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং
কমাশিসা পরিবারবিজ্ঞাপন কর্নারযোগাযোগ । সময়ঃ রাত ২:০৮
Home / কওমি অঙ্গন / ইমাম-মুয়াজ্জিন : পৃথিবীর সবচেয়ে নির্যাতিত পেশাজীবী

ইমাম-মুয়াজ্জিন : পৃথিবীর সবচেয়ে নির্যাতিত পেশাজীবী

খন্দকার হাসান মাহমুদ :

বলেছিলাম পৃথিবীর সবচেয়ে নির্যাতিত পেশাজীবীদের সম্পর্কে একটা আর্টিক্যাল লেখার চেষ্টা করবো। আপনি হয়তো এতক্ষণে অনুমান করতে পেরেছেন, কারা জগতের সবচেয়ে অবহেলিত ও নির্যাতিত পেশাজীবী। জ্বি, আমাদের সমাজের ইমাম সাহেবগণ‌ই হলেন সবচেয়ে নির্যাতিত পেশাজীবী। তারা কতভাবে নির্যাতিত তা আমাদের জানা আছে। আমি দু-একটি পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করবো।

বেতন-ভাতা
মনে করুন একজন ইমাম ঢাকা শহরে ইমামতি করেন। তিনি তার স্ত্রী সন্তান নিয়ে কলোনিতে থাকা সম্ভব না। থাকতে হবে বাসায়। আর রাজধানী ঢাকায় মোটামুটি মানের দুই রুমের একটি বাসা ভাড়া নিয়ে পরিবারসহ থাকতে গেলে কমপক্ষে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা প্রয়োজন। কিন্তু মসজিদের শহর ঢাকার ইমাম-মুয়াজ্জিনরা মাস শেষে কত টাকা সম্মানী পান জানেন? রাজধানীতে গড়পড়তা ইমামদের সম্মানী ভাতা ৫ থেকে ১৫ হাজার টাকা। আর মুয়াজ্জিনরা পান সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা। রাজধানীর বাইরের অবস্থা আরও করুণ।

এমতাবস্থায় ইমাম সাহেবের স্ত্রী-সন্তানকে দেশের বাড়িতে রেখে নিজে একা একা মসজিদের হুজরায় গড়াগড়ি করে, স্ত্রীকে কল্পনার জগতে ভেবে ভেবে একাকী রাত কাটানো ছাড়া আর কোন বিকল্প থাকে না। একজন নববিবাহিত যুবকের জন্য এটা কতটা কষ্টকর সেটা বুঝার জন্য যে বিবেক বুদ্ধি দরকার সেটুকু আমাদের সমাজ থেকে এখন হারিয়ে গেছে। আহ্ কি কষ্ট!

আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা বলি। আমার এক বন্ধু নতুন বিয়ে করেছে। তার পিতা বেঁচে নাই যার কারণে সে বিয়ের আগে ১৫ দিনের জন্য ছুটি নিয়েছিল। বিয়ের আগে ৭ দিন ও বিয়ের পরে ৭ দিন। এই পনেরো দিন ছুটি দিতেই কমিটির অনেক কষ্ট হয়েছে। বিয়ের ৭ দিন পর বাড়ি থেকে চলে আসলো। এদিকে নববধূ বারবার ফোন করে বাড়িতে যেতে বলে। কিন্তু সে বাড়িতে যেতে পারে না। কমিটির কাছে সেই কথাটা বলার মত কোন সুযোগ নাই। নিজের কাছে খুব কষ্ট লাগে কিন্তু কিছুই করার নাই। কারণ আমি তার পরিবর্তে কাজ করতে চাইলেও তার অনুমতি নাই।

৫-১০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা বেতন দিলে মনে করা হয় অনেক কিছুই করে ফেলেছি। আসলেই কি তাই? যদি এটা কি বেতন দিয়ে বাসা ভাড়া দেয়ায় চলে যায় তাহলে খাওয়া দাওয়া ও সন্তানের লেখাপড়ার খরচ আসবে কোত্থেকে? এখন ইমাম সাহেব যদি ইমামতির পাশাপাশি অন্য পেশায় জড়িত হতে চান সেখানে কমিটির আপত্তি। তিনি ব্যবসা করবেন না সেটাও হবে না, তিনি অন্য কোন মাদ্রাসায় পার্ট টাইম জব করবেন- না সেটাও হবে না।

বলা হয় গার্মেন্ট শ্রমিকদের বেতন কাঠামো সবচেয়ে কম। আপনি লক্ষ্য করলে দেখবেন ইমামদের বেতন এরচেয়েও কম। গার্মেন্ট শ্রমিকরা বেতন বৃদ্ধির দাবিতে বিক্ষোভ করে, ভাঙচুর করে কিন্তু ইমামরা তা করেন না। তবুও তারা ভালো না। কেন দক্ষিণ দিকে মাথা দিয়ে ঘুমালেন এই ছুতোয় চাকরি যাওয়ার কাহিনী আমার জানা আছে। তবুও কিছু বলে না।

গার্মেন্ট শ্রমিকদের কাজের একটা সময়সীমা আছে। নির্দিষ্ট সময়ের পর তারা অভারটাইম ও অন্যান্য কাজ করতে পারে কিন্তু ইমামরা তা পারেন না। কারণ তাদের চাকরির কোন ওয়ার্ক আওয়ার নাই। ২৪ ঘন্টা মসজিদে অবস্থান করতে হয়। যার ফলে তারা এই পেশার ফাঁকে অন‍্যকোন দায়িত্ব নিতে পারেন না। মসজিদ কমিটি আগেই বলে দেয় সবসময় মসজিদে থাকতে হবে। ১০- ১৫ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করে যেন নিজেকে বিলিয়ে দিতে হবে। তারা বেতন দেবে না এবং দুইটাকা বাড়তি আয়ের সুযোগ দেবে না। এটা কেমন জুলুম?

গ্রামের ইমামদের অবস্থা আরো শোচনীয়। তাদের বাড়ি ভাড়া দেয়া লাগে না কিন্তু বেতন বেশি না। ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে ইমাম-মুয়াজ্জিনরা অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করেন বছরের পর বছর। সারা মাস সময়মতো নামাজ পড়িয়ে মাসে পান সামান্য বেতন-ভাতা। যেটা নির্ধারণ করে মূলত মসজিদ কমিটি। মসজিদ কমিটি থেকে সম্মানী হিসেবে পাওয়া অর্থ এতই কম যে সংসার চালানো সম্ভব না।

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সংসারে অভাব-অনটন লেগেই থাকে। শহরের তুলনায় গ্রামের অবস্থা আরও শোচনীয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোনো কোনো মসজিদে মাসিক বেতন দেয়া হয় দুই-তিন হাজার টাকা মাত্র। মফস্বলের গ্রামগুলোর কিছু মসজিদে দেয়া হয় বিভিন্ন মৌসুমের ধান বা চাল। ২০০৬ সালে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ‘মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা’ প্রণয়ন করলেও এর বাধ্যবাধকতা না থাকায় মসজিদ কমিটিগুলো এসব নিয়ম মানে না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে শহরের বাইরের মসজিদগুলোতে আয় হয় অনেক কম। ফলে মসজিদ কমিটির তহবিলও অনেক কম। গ্রামের মসজিদগুলোতে মাসিক হারে দুশ’ থেকে তিনশ’ টাকা। অনেক মসজিদে আবার বার্ষিক হারে ৫/৬ হাজার টাকা দেয়ারও নজির আছে। তবে শহরের খতিবরা প্রতি শুক্রবার জুম্মার নামাজ পড়িয়ে গড়ে ৫০০ থেকে ৪-৫ হাজার টাকা সম্মানী পান।

আমাদের সিলেটের গ্রামের ইমামদের অবস্থা মোটামুটি ভালো। উত্তরাঞ্চলের দিকে তাকালে দেখা যায় ইমামদের দুর্গতি কাকে বলে। পঞ্চগড় জেলার একটি গ্রামের মসজিদে ইমামকে কমিটি থেকে মাসে মাত্র তিনশত টাকা সম্মানী দেয়। সমগ্র উত্তরাঞ্চলের এক‌ই অবস্থা। বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলের অধিকাংশ মসজিদের চিত্রই এমন।

তারা অবশ্যই প্রথম শ্রেণীর সম্মানিত ব্যক্তি। কিন্তু মাস শেষে তাদের যে সম্মানী বা ভাতা দেয়া হয় সেটা অত্যন্ত অসম্মানজনক। রাজধানীর বাইরে অধিকাংশ মসজিদের ইমাম সাহেবদের সম্মানী দুই থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা। আর মুয়াজ্জিনদের মাসিক সম্মানী দেয়া হয় নামমাত্র। দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও গার্মেন্ট শ্রমিকদের বেতনও পাঁচ হাজার টাকা। হোটেল বয়দের বেতনও তিন-চার হাজার টাকা। সেখানে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানী বলার মতো নয়।

উপেক্ষিত বেসরকারি মসজিদ
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির (২০০৯-১০ অর্থবছরে) চালানো জরিপ অনুযায়ী সারা দেশে জামে মসজিদের সংখ্যা ২ লাখ ৫০ হাজার ৩৯৯টি। বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০১৭ সালে এসে জামে মসজিদের সংখ্যা নিশ্চিতভাবে সাড়ে ৩ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। আর এসব মসজিদে একজন করে ইমাম রয়েছেন। কোনো কোনো মসজিদে একাধিক ইমামও (সানি ইমাম) রয়েছেন। মসজিদগুলোতে অবধারিতভাবে থাকছেন একজন করে মুয়াজ্জিন। ফলে সারা দেশে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব আর খাদেমের সংখ্যা প্রায় দশ লাখের কাছাকাছি হবে।

বেসরকারি মসজিদগুলোতে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানী কম হলেও সরকারি মসজিদগুলোর বেতন-ভাতা বেশ ভালো। সারা দেশে ৪টি মসজিদ পূর্ণাঙ্গরূপে সরকারি বেতন-ভাতা ও সুবিধা ভোগ করে। এ মসজিদগুলো হল- জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম, চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ, আন্দরকিল্লা মসজিদ ও রাজশাহীর হেতেম খাঁ মসজিদ। এছাড়া রাজধানীর বঙ্গভবন জামে মসজিদ, গণভবন জামে মসজিদ ও সচিবালয়ের মসজিদ কিছু সরকারি সুবিধা পায়।

দেশের সরকারি মসজিদগুলোয় ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জীবনযাপনের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত হলেও সারা দেশের বেসরকারি মসজিদগুলোতে সরকারি নীতিমালাটি উপেক্ষিত। পালনের বাধ্যবাধকতা না থাকায় কোনো মসজিদেই এ নিয়ম মানা হয় না। জনগণ তাদের সামর্থ অনুযায়ী বেতন দেবে, এখানে সরকার কাউকে বাধ্য করতে পারে না। যেহেতু সরকার অর্থ দেয় না তাই তারা নীতিমালা পালন বাধ‍্যতামূলক করতে পারে না।

নীতিমালায় বেতন কাঠামো
২০০৬ সালের ১৫ নভেম্বর ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে মসজিদ পরিচালনা, পরিচালনা নীতি, কমিটি, মসজিদের পদবিসহ বেতনকাঠামো নির্ধারণ করা হয়। তবে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের ১১ বছর হলেও আজ পর্যন্ত সরকারের তরফ থেকে এটি পালনে কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

নীতিমালায় মসজিদের আটটি পদের কথা বলা আছে। পদগুলোর বিপরীতে বেতন ও ভাতার হার হল- খতিবের সম্মানী চুক্তি অনুযায়ী, সিনিয়র পেশ ইমামের বেতনস্কেল ১৩৭৫০-৫৫০-১৯২৫০ টাকা, পেশ ইমামের ১১০০০-৪৭৫-১৭৬৫০ টাকা, ইমামের ৬৮০০-৩২৫-৯০৭৫ ইবি-৩৬৫-১৩০৯০ টাকা, প্রধান মুয়াজ্জিনের ৫১০০-২৮০-৫৮৫০-ইবি-৩০০-১০৩৬০ টাকা, জুনিয়র মুয়াজ্জিনের ৪১০০-২৫০-৫৮৫০-ইবি-২৭০-৮৮২০ টাকা, প্রধান খাদিমের ৩১০০-১৭০-৪২৯০-ইবি-১৯০-৬৩৮০ টাকা এবং খাদিমের ৩০০০-১৫০-৪০৫০-ইবি-১৭০-৫৯২০ টাকা।

নীতিমালার ১৯ ধারা এর দুই উপধারায় উল্লেখ আছে, সরকার পরিচালিত মসজিদেও বেতনকাঠামো অনুসরণ করা যেতে পারে। অন্যান্য মসজিদে মসজিদ পরিচালনা কমিটি তাদের আর্থিক সামর্থ অনুযায়ী আলোচনার মাধ্যমে বেতন-ভাতা নির্ধারণ করা যেতে পারে।

২০০৬ সালে প্রথমবারের মতো নীতিমালা প্রণয়ন হয়। পরবর্তী সময়ে প্রজ্ঞাপনটির কোনো অগ্রগতি জানা যায়নি। ফলে ইমাম-মুয়াজ্জিনরা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্তেই সম্মানী নেন। আর পেশাটার সঙ্গে যেহেতু সম্মান আর দীনের ব্যাপার রয়েছে তাই সম্মানী নিয়ে ইমাম-মুয়াজ্জিনরা কোনো কথা বলেন না। তবে স্বাভাবিক জীবনযাপন করা যায় ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের এমন উপযুক্ত সম্মানী দেয়া উচিত। এতে ইমামরা মানসিক অস্থিরতা ও আর্থিক দুবর্লতা কাটিয়ে উঠতে পারবেন। ইমামদের প্রাপ্য সম্মান দিলে সমাজের সবাই উপকৃত হবে।

বিদায় নিতে হয় খালি হাতে
দেশব্যাপী বিভিন্ন মসজিদে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের নিয়োগ এবং চাকরি থেকে ছাঁটাই করে মূলত মসজিদ কমিটি। এমনিতেই ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। তবে সবচেয়ে হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে যখন একজন ইমাম বা মুয়াজ্জিনকে চাকরি থেকে অব্যহতি বা বহিষ্কার করা হয়। কোনো মসজিদে ২০-৩০ বছর ধরে কেউ ইমামতি করছেন; কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার কারণে কয়েক সপ্তাহ নামাজ পড়াতে পারেননি। তখন তাকে মসজিদ পরিচালনা কমিটি অপসারণ করে। শুধু তাই নয়, যে মানুষটি ২০-৩০ বছর ধরে নামাজ পড়িয়েছেন তাকে বিদায় নিতে হয় একদম খালি হাতে। অনেকে ইমামতি করতে করতে বার্ধক্যে চলে যান। এ ক্ষেত্রেও তার অর্জন শূন্য।

সম্মানী বাড়ে কচ্ছপ গতিতে
সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন চাকরিতে সাধারণ বছরান্তেই বিভিন্ন ইনক্রিমেন্টসহ বিভিন্ন ভাতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বেতনের অঙ্কটা বৃদ্ধি পায়। কিন্তু ইমামদের ক্ষেত্রে সম্মানী বাড়ার গতিটা কচ্ছপের মতো। বছরের পর বছর ইমামতি করেও সম্মানী বেড়েছে যত সামান্য। ন্যূনতম সম্মানীর এই পেশায় সতেরো বছরে মাত্র পাঁচ হাজার টাকা বেতন বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৬ হাজার হয়েছে এমন নজির‌ও আছে।

শেষ কথা
যদি এই অবস্থা চলতে থাকে তাহলে নির্যাতনের শিকার হতে হতে একসময় মানুষ ইমামতি পেশাকে বাদ দিয়ে অন্য পেশায় চলে যাবে। তখন মানুষ মহাগুরুত্বপূর্ণ ইবাদত নামাজ কীভাবে আদায় করবে?

সুতরাং সময় থাকতে সতর্ক হতে হবে। প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে মসজিদ সরকারিকরণ করা হোক। ধীরে ধীরে সেই সংখ্যা আরো বাড়ানো হোক। প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন তহবিলের টাকা দিয়ে তাদের বেতন দেয়া সম্ভব। প্রয়োজনে বিশেষ ট‍্যাক্স চালু করা হোক। মুসলমানের দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ইবাদত নামাযের নিশ্চয়তা দেয়া হোক।

About Islam Tajul

mm

এটাও পড়তে পারেন

বিয়েতে ‘উকিল বাপ’ বানানো কি বৈধ?

উকিল বাপ’ বাংলাদেশের সুপরিচিত একটি পরিভাষা। এখানে আছে দুটি শব্দ। উকিল ও বাপ। বাংলা একাডেমি ...